মানবসভ্যতার ইতিহাসে হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম এমন এক ব্যক্তিত্ব যিনি একাই গোটা যুগের চিন্তাধারাকে পাল্টে দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন তাওহীদের প্রতীক, শিরকের অন্ধকারে আলোর দিশারি। কিন্তু তাঁর নিজ পিতা—আযর—ছিলেন মূর্তি নির্মাতা বিস্তারিত...
জ্ঞানের মূল উৎস ‘ওহি’ এবং প্রিয় নবী (সা.)-এর ‘সুন্নাহ’। ‘আইয়ামে জাহিলিয়াতে’ শিক্ষিত ছিলেন মাত্র সতেরোজন। মানবতা নিমজ্জিত হয় নিকষকালো অন্ধকারে। ওই সমাজেই প্রিয় নবী (সা.) পরিচয় দিলেন, ‘বু-ইসতু মুআল্লিমান অর্থাৎ আমাকে শিক্ষক হিসেবে প্রেরণ করা হয়েছে’ (ইবনে
মানবসভ্যতার ইতিহাসে এমন কোনো জাতি নেই যারা জ্ঞানের মূল্য অস্বীকার করেছে, আর এমন কোনো সভ্যতা নেই যা শিক্ষকের হাত ধরে বিকশিত হয়নি। কারণ শিক্ষক আলোর বাহক, আত্মার স্থপতি এবং মানবতার
সারা দেশে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠছে কিশোররা। একে অপরকে ক্ষমতা প্রদর্শন করতে কয়েকজন কিশোর মিলে পাড়া বা মহল্লায় বিভিন্ন নামে গড়ে তুলছে বিশেষ বাহিনী। সাধারণত নিজ এলাকায় আধিপত্য
ইসলামে জুমার দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র কোরআনে জুমার দিন দ্রুত মসজিদে গমনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া হাদিসে গুরুত্বপূর্ণ আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! জুমার দিন নামাজের
ইসলাম সমগ্র মানবজাতির কল্যাণ ও শান্তির বার্তা নিয়ে এসেছে। কোরআন ও সুন্নাহতে মুসলমানদের শুধু নিজেদের মধ্যে নয়; বরং অমুসলিমদের সঙ্গেও ন্যায়, সদাচার ও মানবিক আচরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইসলাম
ইসলামে মুসলমানদের পারস্পরিক সম্পর্কের উপর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রদান করে। নিচের হাদিসটিতে মহানবী (সা.) কয়েকটি নীতি তুলে ধরেছেন, যা মুসলিম সমাজকে ভ্রাতৃত্ব, দয়া, সহানুভূতি ও সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে তোলতে খুবই
মানবজাতির ইতিহাসে বহু সংস্কারক, দার্শনিক ও নেতার আবির্ভাব ঘটেছে। কিন্তু তাদের মধ্যে অধিকাংশই প্রতিপক্ষকে দমন, শাস্তি বা ধ্বংস করার মানসিকতা নিয়ে কাজ করেছেন। এর বিপরীতে মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি