অর্থনীতি বিশ্লেষক এবং দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সিলেন্সের চেয়ারম্যান মামুন রশীদ বলেন, ‘নিকট অতীতের অন্তর্বর্তী সরকার ছাড়া বাকি প্রত্যেকটা প্রধানমন্ত্রী, প্রত্যেকটা অর্থমন্ত্রী, যখনই প্রাইভেট সেক্টরকে হেল্প করার ব্যাপার এসেছে, উনারা অত্যন্ত আগুয়ান হয়ে এগিয়ে এসেছেন।’
দৈনিক কালের কণ্ঠের নিয়মিত আয়োজন ‘দ্য বিজন্যাস রিভিউ শো’ অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী পরম্পরায় রাজনৈতিক দল পরম্পরায় প্রাইভেট সেক্টরকে হেল্প করতে হবে। তারপর কর্মসংস্থানমুখী শিল্পকে হেল্প করতে হবে, রপ্তানিমুখী শিল্পকে হেল্প করতে হবে।
এই ব্যাপারে আমি তীব্রভাবে বলতে পারি, গত ২৬ বছরে আমি যত প্রধানমন্ত্রী এসছেন, যত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারও এসছেন, তারা কিন্তু এই বিষয়টা শুধু এই নিকট অতীতের অন্তর্বর্তী সরকার ছাড়া বাকি প্রত্যেকটা প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেকটা অর্থমন্ত্রী, যখনই প্রাইভেট সেক্টরকে হেল্প করার ব্যাপার এসেছে, উনারা অত্যন্ত আগুয়ান হয়ে এগিয়ে এসছেন। এই ভরসা নিয়ে আমি বলতে চাই সংকট থাকলেও সমাধানের পথও এই জাতি অবশ্যই সবার সঙ্গে বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ করব।’
বর্তমান অর্থনীতিতে সংকট নিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটা বহুল জনসংখ্যার দেশের অর্থনীতি, প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখী একটি অর্থনীতি, ভালনারেবল একটা কান্ট্রি। তার তো কিছুটা সংকটে থাকারই কথা।
তাই না? কারণ, দেশ সম্পর্কে আমরা একটা কথা বলি, এভরিডে ইজ এ নিউ ডে, এভরিডে ইজ এ নিউ চ্যালেঞ্জ। এর ভেতর দিয়ে আমরা আবার সংকটটাকে ইংরেজিতে যেটাকে ক্রাইসিস বলে, ওইটা হিসেবে দেখতে চাই না। আমরা এটাকে সম্ভাবনার আলোকে প্রস্তুতির সাপেক্ষে বলতে চাই যে, আপাতত আপৎকালীন সময়ে আমরা একটা সংকট দেখতে পাচ্ছি।’
এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ..