তখন মোবাইল ফোন না থাকার কারণে শুটিং সেট থেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ছিল বেশ কঠিন।কাজের চাপে ক্রমে নিজেকে একা মনে করতে শুরু করেছিলেন অমিতাভ।আর ঠিক তখনই স্বামীর মন ভালো রাখতে ও যোগাযোগ অটুট রাখতে জয়া বচ্চন শুরু করেন এক চমৎকার অভ্যাস। তিনি প্রতিদিন অমিতাভের টিফিন বক্সে খাবারের সঙ্গে ছোট ছোট চিঠি বা নোট পাঠাতেন। এই নোটগুলোতে কখনো লেখা থাকত স্বামীর প্রতি ভালোবাসা ও আবেগমাখা বার্তা ‘তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরে এসো।আবার কখনো তাতে থাকত গুরুত্বপূর্ণ পারিবারিক খবর ‘অভিষেকের শরীর ভালো না,’ অথবা ‘অমিতাভ ও জয়াকে স্কুলের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হবে।’ এই ছোট ছোট চিঠিগুলোই সে সময় অমিতাভ বচ্চনের কাছে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার এক বিশেষ মাধ্যম হয়ে উঠেছিল। কাজের ব্যস্ততার মধ্যেও এই নোটগুলো তাকে জয়া বচ্চন এবং তার পরিবারের সঙ্গে এক গভীর বন্ধনে আবদ্ধ থাকতে সাহায্য করেছিল।