তিনি বলেন, ‘তাদের অস্ত্র শেষ হয়ে যাচ্ছে। হামলা চালানোর জায়গাও কমে যাচ্ছে। কারণ তারা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারাবাহিক সামরিক অভিযানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো এবং উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। তবে এসব দাবির বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।অস্ত্রের মজুদ নিয়ে মন্তব্যের পাশাপাশি ট্রাম্প ইরানের কৌশলগত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি কয়েকটি ছবিও প্রকাশ করেন। একটি ছবিতে যুদ্ধবিমানকে ইরানের প্রধান অপরিশোধিত তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে হামলা চালাতে দেখা যায়। ছবিটির সঙ্গে লেখা ছিল, ‘খার্গে হামলা’। আরেকটি ছবিতে ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখানো হয়। সেখানে কয়েকটি তেলবাহী জাহাজ দেখা যায়, যেগুলোকে ইরানি তেলবাহী জাহাজ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ছবির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘এখন এটি আমাদের তেলবাহী জাহাজ!’ আরেকটি ছবিতে একটি ইরানি জাহাজ বিস্ফোরিত অবস্থায় দেখানো হয়। সেখানে লেখা ছিল, ‘আর কোনো ইঞ্জিন নেই।’
অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার খবর প্রত্যাখ্যান করার পাশাপাশি ইরানের সামরিক ও কৌশলগত অবকাঠামোর বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্য দিয়ে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, তার প্রশাসন তেহরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ বজায় রাখতে চায়। তবে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা, অস্ত্রের মজুত এবং দীর্ঘমেয়াদি অভিযানের প্রভাব নিয়ে দেশটির ভেতরে আলোচনা ও উদ্বেগও অব্যাহত রয়েছে।