সাম্প্রতিক উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারকে তীব্র সমালোচনা করেছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। দলটি অভিযোগ করেছে, সরকার ১৯৭১ সালের মতোই জনগণের ম্যান্ডেট হরণ করে নিজেদের শাসন দীর্ঘায়িত করতে চাইছে।
ডনের খবরে বলা হয়, উপনির্বাচনে প্রাথমিক ফলাফলে পিএমএল-এন জাতীয় পরিষদের ৬টির মধ্যে সবগুলো এবং পাঞ্জাব অ্যাসেম্বলির ৭টির মধ্যে ৬টি আসন জিতেছে। একটি আসন পেয়েছে পিপিপি, যারা মাত্র ৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল।বেশিরভাগ আসনই খালি হয়েছিল ৯ মে-র মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়া পিটিআই সদস্যদের অযোগ্য ঘোষণার ফলে।পিটিআইয়ের কেন্দ্রীয় তথ্যসচিব শেখ ওয়াকাস আকরাম অভিযোগ করেন, ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ভুলগুলো আবারও পুনরাবৃত্তি করা হচ্ছে। তার মতে, দেশ নিরাপত্তা, অর্থনীতি, রাজনীতি ও সমাজ সবক্ষেত্রেই ধসের প্রান্তে পৌঁছে গেছে।
তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে পিটিআই যেভাবে বিপুল বিজয় পেয়েছিল, ঠিক ১৯৭০ সালের নির্বাচনের আওয়ামী লীগও ১৮৩টি আসন পেয়ে সেভাবেই বিজয় লাভ করেছিল।কিন্তু তাদের সরকার গঠনের পথ রুদ্ধ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারও একই বিধ্বংসী পথ অনুসরণ করছে।তার অভিযোগ, ক্ষমতাসীনদের সব পদক্ষেপই নিজেদের শাসন টিকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে পরিচালিত, দেশের সঙ্কট মোকাবিলার জন্য নয়।তিনি আরো দাবি করেন, এভাবে নিয়ন্ত্রিত ও কারচুপিকৃত নির্বাচন কখনোই পিটিআই বা ইমরান খানের জনপ্রিয়তার সূচক হতে পারে না।
তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, সরকার যদি সত্যিই আত্মবিশ্বাসী হয়, তবে নতুন নির্বাচন ঘোষণা করুক এবং সব রাজনৈতিক দলকে এক প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দিক। তার দাবি, পিটিআই শুধু জিতবেই না, প্রতিপক্ষ দলগুলোকে পুরোপুরি রাজনৈতিক ময়দান থেকে মুছে ফেলবে।
এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ..