রাজধানীর কদমতলী মেরাজনগরে তামান্না আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বিকালে এ ঘটনা ঘটে। তবে গৃহবধূর বাবার অভিযোগ, তার মেয়েকে স্বামী রতনসহ পরিবারের লোকজনরা হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে চাচ্ছে।
এর আগে স্থানীয় হাসপাতাল হয়ে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তামান্নাকে মৃত ঘোষণা করেন।তামান্না ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার নায়েব উল্লাহর মেয়ে। তার শ্বশুরবাড়ি রাজধানীর কদমতলীর মেরাজনগর। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, তামান্না আক্তারের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।তামান্নার বাবা নায়েব উল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়েকে স্বামী রতনসহ তার পরিবারের লোকজনরা হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে চাচ্ছে। তিনি বলেন, গত তিন বছর আগে তারা প্রেম করে বিয়ে করে। ছেলে কিছুই করে না। বেকার।কিছুদিন যাবার পর পর তাদের সংসারে অশান্তি শুরু হয়। তারা আমার মেয়ের উপর নির্যাতন করত। আমরা বিভিন্ন সময়ে ৮-১০ লাখ টাকা দিয়েছি। আমার মেয়ের এক সন্তান রয়েছে। ওই সন্তানের দিকে তাকিয়ে আমরা সব সহ্য করতাম।তিনি আরো বলেন, শুক্রবার মেয়েটির জন্মদিন। তাই গতকাল আমার কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়ে গিয়ে বাজার করেছে। আজ বিকেলে মেয়ের শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন দিয়ে বলছে, আপনার মেয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে মারা গেছে। আমরা হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি, আপনারা আসেন। প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি ইসলামিয়া হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে রাতে ঢামেক হাসপাতাল নেওয়া হয়।







