কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১১টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কোনো কারণ এখনো জানা যায়নি।আজ রবিবার (২০ এপ্রিল) রাত আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে উপজেলার লক্ষণপুর পশ্চিম বাজারে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে মনোহরগঞ্জ দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘসময় চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি।ওই বাজারের ব্যবসায়ী মো. হাবিবুর রহমান মেম্বার জানান, ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে।অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে- ৪টি ওয়ার্কশপ, ৩টি চায়ের দোকান, ১টি মোবাইল দোকান, ১টি ফার্নিচার দোকান, ১টি ফার্মেসি ও ১ অটোপার্টসের দোকান।আগুনে পুড়ে যাওয়া বিসমিল্লাহ ওয়ার্কশপের স্বত্বাধিকারী মো. হিরণ ভূঁইয়া জানান, তার দোকানের সবকিছু পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। এতে কমপক্ষে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।মনোহরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স’র স্টেশন লিডার মাসুম মিয়া জানান, অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে আমারা তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে যাই এবং আমাদের দুটি টিম প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই।তিনি জানান, অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ জানা যায়নি।বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটতে পারে বলে ধারণা। তবে বিষয়টি সুক্ষ্ম তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা করা হচ্ছে।
এদিকে ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান কুমিল্লা (দক্ষিণ) জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা- ৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডক্টর এ কে এম সৈয়দ সরোয়ার উদ্দিন সিদ্দিকী। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের শান্তনা দেন এবং সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মনোহরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হামিদুর রহমান সোহাগ, মনোহরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ নুরুন্নবী, সেক্রেটারি মু. ফয়েজুর রহমান, সহ-সেক্রেটারি মু. মহিন উদ্দিন, লক্ষণপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মু. খায়রুল বাশার জাহান প্রমুখ।
এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ..