সোমবার নেসেটে দেওয়া ভাষণে নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইসরায়েলের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন এই দুই দেশ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন যে বিভিন্ন সংস্থা ও কমিটি গঠন করছে; যেগুলো যুদ্ধ-পরবর্তী গাজা পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে—সেগুলোতে ‘কোনো কর্তৃত্ব বা কোনো প্রভাব’ রাখবে না।’
বাস্তবে, যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ‘গাজা এক্সিকিউটিভ বোর্ড’ নামে যে কমিটি গঠন করা হচ্ছে, তাতে কাতার ও তুরস্কের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন এবং এর মাধ্যমে তারা গাজার তদারকিতে অংশ নেবেন।যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘোষণা আসার আগে পর্যন্ত নেতানিয়াহুর দপ্তর বারবার জোর দিয়ে বলেছিল যে যুদ্ধের পর ইসরায়েল গাজায় তুরস্ক বা কাতারকে কোনো ধরনের অবস্থান নিতে দেবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্র যখন জানায় যে দেশ দু’টি একটি ভূমিকা পাবে, তখন নেতানিয়াহু তার অবস্থান বদলে তুরস্ক ও কাতারের সামরিক উপস্থিতির বিরোধিতার দিকটি জোরালোভাবে তুলে ধরেন।