গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র সেন্ট্রাল হল, ওয়েস্টমিনিস্টারের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মানবিক নেতৃত্বের এক অনন্য ও গৌরবোজ্জ্বল স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সহ-আয়োজকের মর্যাদা অর্জন করেছে ড. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশন। মানবতা, শান্তি ও বৈশ্বিক সহযোগিতার প্রতি অবিচল অঙ্গীকারের স্বীকৃতিস্বরূপ এই ঐতিহাসিক অংশগ্রহণ বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ও মানবিক নেতৃত্বের মানচিত্রে আরো দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠার ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এ আন্তর্জাতিক আয়োজন বিশ্বব্যাপী শান্তি, মানবাধিকার, টেকসই উন্নয়ন ও বৈশ্বিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই আয়োজনে সহ-আয়োজক হিসেবে ড. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের অন্তর্ভুক্তি বাংলাদেশের মানবিক কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার প্রতি বিশ্বসম্প্রদায়ের আস্থার প্রতিফলন।ড. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানবিক সহায়তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে আসছে। জাতিসংঘের এই গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ফাউন্ডেশনটি বৈশ্বিক মানবিক উদ্যোগে বাংলাদেশের সক্রিয় ও দায়িত্বশীল অবস্থানকে আরো জোরালোভাবে তুলে ধরেছে।
ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা এম এইচ গ্লোবাল গ্রুপের চেয়ারম্যান ক্যেপ্টেন গোলাম কিবরিয়া জানানো হয়, এই স্বীকৃতি কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের অর্জন নয়; এটি বাংলাদেশের মানবিক মূল্যবোধ, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি অঙ্গীকারের সম্মিলিত স্বীকৃতি।
এই ঐতিহাসিক অর্জনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বিশ্বব্যাপী মানবতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের ভূমিকা আরো বিস্তৃত ও শক্তিশালী হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং ব্রিটিশ রাজপরিবারের সম্মানিত সদস্য ডাচেস অব এডিনবরো। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি আনালেনা বেয়ারবক, যুক্তরাজ্য পার্লামেন্টের সিনিয়র সদস্যবৃন্দ, হাউস অব লর্ডসের প্রতিনিধিগণ এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বরা এবং বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন ডাক্তার মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা উপদেষ্টা এবং এম এইচ গ্লোবাল গ্রুপের চেয়ারম্যান ক্যেপ্টেন গোলাম কিবরিয়া (সিআইপি) এবং ফাউন্ডেশনের যুব প্রতিনিধি ক্যাপ্টেন গোলাম কিবরিয়ার সুযোগ্য দুই কন্যা জান্নাতুন নূর এবং জান্নাতুন নাঈম। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে এই আয়োজনে ৫৩টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন, যা অনুষ্ঠানটির বৈশ্বিক গুরুত্ব ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাকে আরো স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
প্রায় ৮০ বছর আগে, এই সেন্ট্রাল হল, ওয়েস্টমিনস্টার থেকেই জাতিসংঘ তার ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু করেছিল।ঠিক সেই একই স্থানে জাতিসংঘের ৮০তম বার্ষিকী উদযাপন আজ নতুন করে বিশ্বশান্তি, মানবতা এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতার প্রতি বিশ্বের সম্মিলিত আশার প্রতীক হয়ে উঠেছে। এই ঐতিহাসিক আয়োজনে অংশগ্রহণের জন্য ইউএনএ-ইউকে (UNA-UK)-এর পক্ষ থেকে বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেন কিনিনমন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ক্যাপ্টেন এ কে এম গোলাম কিবরিয়া এবং ড. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনকে এই স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক মুহূর্তের অংশ হওয়ার জন্য। ডাক্তার মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বেশ কিছু দিন থেকে জাতিসংঘের সাথে যৌথভাবে বিশ্বব্যাপী পাঁচ শূন্যের অভিযান নিয়ে দেশে-বিদেশে মানুষের জীবন মান উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ছাড়াও ১৫ দেশে ডাক্তার মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে, ফাউন্ডেশনের মানবিক কাজের মূল্যায়ন হিসেবে সাম্প্রতিক অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্লোবাল হিউম্যানটিরিয়ান অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা ক্যাপ্টেন গোলাম কিবরিয়া আন্তজার্তিক অঙ্গনে মানোবিকতা চড়িয়ে দিতে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন ক্যাপ্টেন গোলাম কিবরিয়া।
এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ..