খুলনা জেলা প্রতিনিধিঃ ফাহিম ইসলাম : জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে খুলনা জেলা পুলিশের বিশেষ কল্যাণ সভা ও মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১১টায় খুলনার শিরোমণি পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক। সভায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যরা তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যা, সুযোগ-সুবিধা, কল্যাণমূলক বিষয় এবং বিভিন্ন আবেদন-সংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরেন।
পুলিশ সুপার উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের বক্তব্য, প্রস্তাবনা ও আবেদন অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে শোনেন। এ সময় কিছু সমস্যা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি অন্যান্য যৌক্তিক সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬-এর ঐতিহাসিক তাৎপর্য ও প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, পারস্পরিক সহযোগিতা, পেশাগত দায়িত্ববোধ এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, পুলিশ বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের পেশাগত দক্ষতা, মনোবল ও কল্যাণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যদের যৌক্তিক সমস্যা ও সুযোগ-সুবিধার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
সভায় পুলিশ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, শৃঙ্খলা ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে আরও আন্তরিক হওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনবান্ধব পুলিশি সেবা প্রদানে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়।
বিশেষ কল্যাণ সভাটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল) সাইফুল ইসলাম।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আনিসুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) মোঃ সালাউদ্দিন, সহকারী পুলিশ সুপার (ডি-সার্কেল) মোঃ আমির হামজা, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) শেখ আলমগীর হোসেন ও মোঃ বাবুল হোসাইন হাওলাদার।
এ ছাড়া খুলনা জেলা পুলিশের বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা এবং পুলিশ সদস্যরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।
সভায় পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করা, বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাহিনীর অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও পেশাগত মানোন্নয়নের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।