ট্রাম্প এই ‘শান্তি বোর্ড’-এর চেয়ারম্যান।শুরুতে বোর্ডটি গঠন করা হয়েছিল হামাস ও ইসরাইলের মধ্যকার যুদ্ধের পর গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা এবং পুনর্গঠন তদারকির উদ্দেশ্যে। তবে পরে এর লক্ষ্য সম্প্রসারিত করে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংঘাত সমাধানের দিকে নেওয়া হয়। এ কারণে সমালোচকদের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, এটি জাতিসংঘের বিকল্প বা প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো কাঠামো হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা হতে পারে।ভ্যাটিকানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্ডিনাল পিয়েত্রো প্যারোলিন বলেন, ‘বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘই প্রধান ভূমিকা পালন করে আসছে।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সংকট ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব জাতিসংঘের হাতেই থাকা উচিত।’গত জানুয়ারিতে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম-এর দাভোস সম্মেলনে ট্রাম্প ‘শান্তি বোর্ড’ চালুর ঘোষণা দেন। এরপর থেকে অন্তত ১৯টি দেশ প্রতিষ্ঠাতা সনদে স্বাক্ষর করেছে বলে জানা গেছে। স্থায়ী সদস্যপদ পেতে দেশগুলোকে এক বিলিয়ন ডলার করে দিতে বলা হয়েছে বলেও জানা গেছে।