বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিট (GIU) ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্দ্যোগে আয়োজিত ‘AI and Innovation’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।
জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, ছোট দেশ হয়েও ইসরায়েল হাজার হাজার প্রযুক্তি কোম্পানি ও একটি শক্তিশালী প্রযুক্তি শিল্প গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশের বিশাল তরুণ ও মেধাবী জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগিয়ে একইভাবে প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প গড়ে তোলা সম্ভব।
সম্প্রতি বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদলের সিলিকন ভ্যালি সফরের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অ্যাপল, মেটা ও এনভিডিয়ার মতো বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে।
জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু প্রযুক্তির ভোক্তা হওয়া নয়; প্রযুক্তির মালিক ও রপ্তানিকারক হওয়া। দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি সেবা, ডিজিটাল পরিচয়, কৃষি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার জন্য কার্যকর এআইভিত্তিক সমাধান তৈরিতে উৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশে তৈরি এসব প্রযুক্তি আন্তর্জাতিক বাজারেও রপ্তানি করা সম্ভব। দেশের বিশাল বাজারকে কাজে লাগিয়ে হার্ডওয়্যার উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। কম্পিউটার ও ল্যাপটপসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যের আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশে উৎপাদন বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, এআই নিয়ে আলোচনা শুধু সেমিনার বা সংলাপের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যবসায়ী সমাজ ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়ে দ্রুত একটি বাস্তবমুখী ও সমন্বিত জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।