বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করতে তুরস্কের ফল রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ। এসব তথ্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেশের ফল আমদানিকারক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে, যা ফল আমদানির ব্যবসায়িক যোগাযোগকে সরাসরি ত্বরান্বিত করবে।
বৈঠকে শিল্প বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবেলায় তুরস্কের সহযোগিতার দিকটি বিশেষভাবে আলোচিত হয়।বিশেষ করে ইলেকট্রনিক্স ও জাহাজ ভাঙা শিল্পের বিপজ্জনক বর্জ্য নিরাপদ প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও নিষ্পত্তির জন্য তুরস্কের বিশেষায়িত টিএসডিএফ (Treatment, Storage and Disposal Facility) সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা ও কারিগরি সহায়তা ব্যবহারের সুযোগ পর্যালোচনা করা হয়।
অন্যদিকে, দুই দেশের চামড়া খাতের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত রামিজ সেন।তিনি জানান, কঠোর পরিবেশগত নীতি বাস্তবায়নের কারণে তুরস্কে কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের পরিধি কিছুটা সংকুচিত হয়েছে। ফলে সেখানে কৃত্রিম বা সিন্থেটিক চামড়ার ব্যবহার এবং কাঁচামাল আমদানির চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনার সুযোগ তৈরি করতে পারে।
এছাড়া ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য বিষয়ক স্থায়ী কমিটি ‘কমসেক’ (COMCEC)-এর মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন, ওয়ার্ল্ড হালাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সামিট এবং হালাল এক্সপোতে অংশ নিতে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তুর্কি রাষ্ট্রদূত।