এ দিন তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর তার আইনজীবী রফিকুল ইসলাম খান তার জামিন চেয়ে আবেদন করেন।শুনানি শেষে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে পুলিশ প্রহরায় তাকে হাজতখানায় নেওয়া হয়। মামলার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের চকবাজার থানার ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের মামলা হয়। সেই মামলায় ২০২৩ সালের ২৮ নভেম্বর সজীবসহ ১৪ নেতাকর্মীকে ২২ মাস করে সাজা দেন আদালত।তবে তিনি পলাতক থাকায় এই মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এ বিষয়ে তার আইনজীবী রফিকুল ইসলাম খান বলেন, আজিজুর রহমান সজীবের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১৮টি মিথ্যা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা হয়। এসব মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগ করতে হয় তাকে। রিমান্ডেও নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হন ছাত্রদলের সাবেক এই নেতা।তার পক্ষে জামিন চেয়ে আবেদন করেছিলাম। তবে আদালতে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব। প্রত্যাশা করছি, তিনি ন্যায়বিচার পেয়ে দণ্ড থেকে খালাস পাবেন।