ট্রাম্প প্রশাসনের এই উদ্যোগের সমালোচনা করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাট দল। বুধবার ডেমোক্র্যাট দলের ১১ জন আইনপ্রণেতা মার্কো রুবিওকে একটি চিঠি পাঠান। চিঠিতে তারা প্রশ্ন তোলেন, শুধু বামপন্থী গোষ্ঠীগুলোর ওপর জোর দেওয়া হলে বৈধ রাজনৈতিক আন্দোলন ও শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভও অযথা নজরদারির শিকার হতে পারে। রয়টার্সের হাতে পাওয়া ওই চিঠিতে বলা হয়, পররাষ্ট্র দপ্তরের উচিত রাজনৈতিক বিবেচনার পরিবর্তে তথ্য ও বাস্তবতার ভিত্তিতে কাজ করা। আইনপ্রণেতাদের অভিযোগ, পররাষ্ট্র দপ্তর প্রশাসনের রাজনৈতিক অগ্রাধিকারের সঙ্গে নিজেদের কার্যক্রম মিলিয়ে নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে অতি-বামপন্থী ও অতি-ডানপন্থী উগ্রবাদ নিয়ে বিভিন্ন গবেষণায় ভিন্ন ধরনের তথ্য উঠে এসেছে।
সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস)-এর ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩০ বছরের বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো বামপন্থী সন্ত্রাসবাদের ঘটনা ডানপন্থী সন্ত্রাসবাদের চেয়ে বেশি ছিল। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, উভয় ধরনের হামলার সংখ্যাই সামগ্রিকভাবে তুলনামূলক কম ছিল। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের ২০২৪ সালের একটি অভ্যন্তরীণ গবেষণায় বলা হয়েছিল, মতাদর্শগত কারণে সংঘটিত প্রাণহানির বেশির ভাগ ঘটনার জন্য অতি-ডানপন্থী উগ্রবাদীরা দায়ী। তবে পরে বিচার বিভাগ কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই সেই গবেষণাটি তাদের ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে দেয়।