সমালোচকদের দাবি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে বিভিন্ন পশ্চিমা দেশ মিন অং হ্লাইংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তাই তাকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া উচিত নয়।
অন্যদিকে বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার বাস্তব কারণ রয়েছে থাইল্যান্ডের। দুই দেশের দীর্ঘ সীমান্তে চলমান সংঘাত, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা লাখো শরণার্থী, সীমান্তে সাইবার প্রতারণা চক্র এবং অবৈধ মাদক পাচার, এসব বিষয় থাইল্যান্ডের জন্য বড় উদ্বেগ।
থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিহাসাক ফুয়াংকেটকে বলেছেন, মিন অং হ্লাইংয়ের সফরে সাইবার প্রতারণা দমনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষ দেশটিতে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় আরো কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। পাশাপাশি অং সান সু চির সঙ্গে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির প্রতিনিধির সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকেও তিনি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।