২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর একটি জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত ‘ডলারে ঘুষ নেন ইপিবির এক কর্মকর্তা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ অভিযোগ প্রথম উঠে আসে। ঘটনার পর ইপিবি তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।
সম্প্রতি দুদক এ বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য একটি দল গঠন করে এবং অভিযোগ আমলে নিয়েম রবিবার সকালে ইপিবি কার্যালয়ে অভিযান চালায়।
ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, ‘আমাদের এক উপপরিচালকের বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ ছিল। বিষয়টি খতিয়ে দেখতেই দুদকের তিন সদস্যের একটি দল আমাদের কার্যালয়ে আসে।
ইপিবি গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইপিবির অনুমোদন ছাড়া ১৪টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জামানত বাবদ ১৫০ ডলার করে নেওয়া হয়েছে, যা নিয়মবহির্ভূত। প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালের আগস্টে চীনের কুনমিংয়ে অনুষ্ঠিত একটি মেলায় অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে ওই টাকা নেওয়া হয়েছিল ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই।দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মেলায় অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন পরিমাণের পে–অর্ডার ইস্যু করে। ইপিবির ওই উপ-পরিচালক সেগুলো দীর্ঘদিন নিজের জিম্মায় রেখে আত্মসাতের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।