রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় হবে। যিনি প্রার্থী হবেন, তার প্রস্তাবক, সমর্থক ও সম্মতি থাকবে। একাধিক প্রার্থী হলে সংসদে ভোটাভুটির মাধ্যমে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটপ্রাপ্ত ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। আমরা রাষ্ট্রপতির মর্যাদা রক্ষা করতে পারে এমন রাষ্ট্রপতি চাই, কোনো তোষামোদকারী নয়। আমরা যে সংস্কারের কথা বলছি, তা তোষামোদের সংস্কৃতি শেষ করার জন্যই। যার যার অবস্থানে সবাই মর্যাদার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন, অন্য কারো নির্দেশে নয়; নীতি মেনে চলবেন। রাষ্ট্রপতিও রাষ্ট্রের নীতি অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন, অন্য কারো কাছে নিজের বিবেক সমর্পণ করবেন না, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আজকে তার বক্তব্যে জেনেছি, তিনি গুরুতর অসুস্থ, মাঝে মধ্যে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এ কারণে তিনি দেশের বাইরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে ও বিশ্রামে থাকতে চান। বিষয়টি সরকার দেখবে, আমরাও খেয়াল রাখব। তবে আমি মনে করি, সব ধরনের চিকিৎসাই দেশে সম্ভব। আমার নিজেরও একটি জটিল রোগ হয়েছিল, চিকিৎসকেরা বিদেশে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন, কিন্তু আমি যাইনি। এখানেই চিকিৎসা নিয়েছি। আমি চাই সবাই দেশেই চিকিৎসা নিক। প্রয়োজনে বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আনা যেতে পারে।
তিনি আরো বলেন, তার দায়ভার আছে, তিনি তা অস্বীকার করতে পারেন না। অভিভাবক হিসেবে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। গণহত্যার বিরুদ্ধে তিনি একটি কথাও বলেননি, ‘এটা থামাও’, ‘এটা অন্যায়’, ‘জনগণের ওপর জুলুম’ এ ধরনের কোনো বক্তব্য আমরা তার মুখে শুনিনি। নীরবে তিনি সমর্থন দিয়েছেন।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি শুধু তার ক্ষেত্রেই নয়, সবার ক্ষেত্রেই চাই রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, যেই হোন না কেন, সবাই যেন দেশের ভেতরেই চিকিৎসা নেন। নির্বাচিত ব্যক্তিরা যদি সবাই বিদেশে চলে যান, তাহলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত হবে কিভাবে? দেশের চিকিৎসকেরা আস্থা ফিরে পাবেন কিভাবে? তারা তাদের কর্তব্য বুঝবেন কিভাবে? তাই আমাদের সবারই দেশে চিকিৎসা নেওয়া উচিত।