মামলায় বাদী আরাফ অভিযোগ করেন, তিনিসহ একাধিক ছাত্র-জনতা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন। ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট দুপুর বগুড়া শহরের দত্তবাড়ি বড়গোলা সড়কে মিছিল নিয়ে পৌঁছলে সেখানে আগে থেকেই লাঠিসোঁটা, কাঠের বাটা, রড, হকিস্টিক, চাকু, চাপাতি ককটেল, বন্দুকসহ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আসামিরা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনিসহ অনেকজন গুরুতর আহত হন। সে সময় তার শরীরে ৪৩টি গুলি বিদ্ধ হয়।এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।তিনি বলেন, ‘পরে ছাত্রজনতা আমাকে উদ্ধার করে প্রথমে বনানী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে আমাকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। পরে ছাত্ররা জরুরি ভিত্তিতে আমাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেও আসামিরা চিকিৎসা প্রদানে অপারগতা প্রকাশ করেন। পরে বাধ্য হয়ে বাসাতেই চিকিৎসা নেই। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পতন হলে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করি।বগুড়া সদর থানার ওসি হাসান বাসির মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’