খায়েরের পরিবারের সদস্যরা জানান, কিরগিজস্তান যাওয়ার আগে কিছুদিন সৌদি আরবে ছিলেন খায়ের। কিন্তু সেখানে সুবিধা করতে না পেরে দেশে ফেরত চলে আসেন। এরপর বছর দেড়েক বাড়িতে থাকার পর ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেখে ঢাকার বনানী এলাকার একটি এজেন্সির মাধ্যমে কিরগিজস্তান যান খায়ের। এজেন্সি থেকে বলা হয়েছিল সিরামিক কারখানায় কাজ দেওয়া হবে। কিন্তু সেখানে গিয়ে কাক্সিখত কাজ পাননি। ফলে পরিবারের জন্য সুখের আশায় বাড়ি ছাড়লেও হতাশা ছিল তার মনে। বর্তমানে বড় ভাই রফিক মিয়ার জায়গায় ছোট্ট একটি ঘর তুলে বসবাস করছে খায়েরের স্ত্রী-সন্তান।
খায়েরের বড় ভাই রফিক মিয়া বলেন, ‘বিদেশ যাওয়ার জন্য শেষ সম্বল বাড়ির জায়গাটুকুও বিক্রি করে দিয়ে গেছে সে। পর ভালো কোনো কাজ পায়নি। যখন যা পেয়েছে, সেই কাজ করেছে। তার স্ত্রী-সন্তানকে থাকার জন্য আমি আমার জায়গায় ঘর করতে দিয়েছি।’
তিনি জানান, খায়েরের লাশ আনার জন্য কিরগিজস্তানে অবস্থানরত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একজনের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে। সে বলছে যে ইটভাটায় কাজ করত তারা নিজেরা খরচ দিয়ে লাশ দেশে পাঠাবে। আগামী শনি অতবা রবিবার তারা লাশ পাঠাতে পারে।