সাইবার বুলিংয়ের শিকার দুজন হলেন সহ-দপ্তর সম্পাদক জান্নাতুল আদন নুসরাত, নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদাউস সানজিদা।অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসন্ন চাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বর্তমান সময়ে বিভিন্ন বট আইডি, ভুয়া ফেসবুক পেজ ও অ্যাকাউন্ট থেকে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদেরকে লক্ষ্য করে নানা মানহানিকর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।বিশেষত সাইবার বুলিং, স্লাটশেমিং, ট্যাগিং ও ভুয়া ফ্রেমিংয়ের মাধ্যমে তাদের হেয়প্রতিপন্ন করা হচ্ছে। এ ধরনের কার্যকলাপ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও মানসিক সুস্থতার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অমানবিক ও অনৈতিক কার্যক্রম কেবল নারী শিক্ষার্থীদের সম্মানহানিই ঘটাচ্ছে না বরং আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশকে কলুষিত করছে। অতএব বিষয়টি গভীরভাবে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।সাইবার বুলিংয়ের শিকার জান্নাতুল আদন নুসরাত বলেন, ‘শুধু নারী হওয়ায় আমাকে সাইবার বুলিং ও স্লাট শেমিংয়ের শিকার হতে হচ্ছে। তাই আজ এখানে অভিযোগ জানাতে এসেছি। আমাদের দাবি, ভবিষ্যতে যেন অন্য কোনো বোনকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।’চাকসুর প্রধান নির্বাচন কশিমনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন বলেন, ‘আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।সাইবার বুলিং ও স্লাট শেমিং কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’