মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের গেজেটভুক্তির প্রক্রিয়া আবারও উন্মুক্ত করা হয়েছে। যারা প্রকৃত জুলাই যোদ্ধা, তারা নতুন করে আবেদন করতে পারবেন। যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তাদের মূল্যায়ন করে গেজেটভুক্ত করার ব্যবস্থা করা হবে।
গত ১৮ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়নের প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, এই সময়ে অসংখ্য নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, অনেকে পঙ্গু হয়েছেন এবং বহু পরিবারের বুক খালি হয়েছে। এসব নির্যাতিত মানুষেরও মূল্যায়ন করা হবে।
তিনি জানান, ১৮ বছরে হত্যা, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হওয়া মানুষ এবং তাদের পরিবারের মূল্যায়নের জন্য নতুন একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নির্যাতিতরা আবেদন করলে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, লবিং, গ্রুপিং ও দলাদলি ভুলে যেতে হবে। মতভেদ হলে নিজেদের মধ্যে বসে আলোচনা করে সমাধান করতে হবে। দল ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই ক্ষতি করতে পারবে না।
সভায় সংগঠনের চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপির স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক ও সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানা, সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানা নিশীতা, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাছের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সহ-সভাপতি জামাল উদ্দিন খান মিলনসহ সংগঠনের নেতারা।