ক্রমাগত পানি খেতে থাকলে শরীরে ভিটামিন, খনিজ, ইলেকট্রোলাইটস এসব গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির ঘাটতি হতে পারে। আর শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় যাবতীয় পুষ্টি উপকরণের ঘাটতি হলে মাথা ঘোরানো, অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেবে।
হাইপোন্যাট্রেমিয়া
অতিরিক্ত পানি পান করার ফলে সোডিয়ামের ঘাটতি তৈরি হলে তাকে বলা হয় হাইপোন্যাট্রেমিয়া।এই অবস্থায় মাথা ঘোরা, বমি ভাব, বিভ্রান্তি, মাথা ব্যথা এমনকি গুরুতর ক্ষেত্রে খিঁচুনি পর্যন্ত হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, এটি কিডনি ও মস্তিষ্ক উভয়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেকগুলো বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে মানুষের শরীরে পানির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বয়স, ওজন, দৈনন্দিন কাজকর্ম, জলবায়ু ও স্বাস্থ্য। সাধারণভাবে দিনে ২–৩ লিটার পানি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য যথেষ্ট। তবে কারো শরীরে পরিশ্রম বা গরম আবহাওয়ার কারণে আরো বেশি পানি প্রয়োজন হতে পারে।চিকিৎসকদের মতে, বেশি পানি খাওয়া মানেই ভালো—এমন ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। এককথায় ‘স্মার্ট হাইড্রেশন’ জরুরি। অর্থাৎ শরীর যখন তৃষ্ণার সংকেত দিচ্ছে তখন পানি পান করা এবং দৈনন্দিন অভ্যাসে ভারসাম্য রক্ষা করা উচিত।অতিরিক্ত পানি শরীরের জন্য যেমন প্রয়োজনীয় নয়, তেমনি ক্ষতিকরও হতে পারে। তাই পানি খাওয়ার সঠিক অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান করুন। কোনোরকম সমস্যা হলে প্রথমেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।