এ অবস্থায় প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন ঋষি ধাওয়ান ও ইরফান পাঠান। ঋষি ১৮ বলে ২৪ রান করে আউট হন। ইরফান পাঠান ওপেনিংয়ে নেমে ৪১ বলে করেন মাত্র ২৪ রান।
বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ভারতের ওপর রান তোলার চাপ বাড়তেই থাকে। ভারতীয় ব্যাটিং লাইন আপে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি দেন এনামুল হক জুনিয়র। তার ঘূর্ণিতে একের পর এক উইকেট হারিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারাতে থাকে ভারত। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ৪ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের জয়ের পথ তৈরি করেন এই বাঁহাতি স্পিনার।
শেষ দিকে পবন নেগি ও পীযূষ চাওলার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ম্যাচ আবারো জমে ওঠে। মুহূর্তেই জয়ের আশা জাগে ভারতীয় শিবিরে। বাংলাদেশের জন্য ম্যাচটি তখন পরিণত হয় স্নায়ুর কঠিন পরীক্ষায়।
তবে শেষ ওভারে বল হাতে বাজিমাত করেন আবু জায়েদ রাহি। চাপের মুহূর্তে দুর্দান্ত বোলিং করে ভারতকে লক্ষ্যে পৌঁছাতে দেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৩৮ রান থামে ভারত।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস : ২০ ওভারে ১৪১/৯ (রনি ৪০, আরাফাত ৩৭, নাসির ২৪; পীযূষ ৩/২৪, ঋষি ২/২১, নেগি ২/২২)।
ভারত চ্যাম্পিয়নস : ২০ ওভারে ১৩৮/৮ (নেগি ২৬*, চাওলা ২৪*, ঋষি ২৪, এনামুল ৪/১২, রাহি ২/২৬)।
ফল : বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নস ৩ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: এনামুল হক জুনিয়র।