তিনি আরও বলেন, ‘চাকসুর অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়া, জিয়াউর রহমান ও দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী—বাংলাদেশকে ধারণ করেছেন, এমন তিনজনের বাণী রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এটি ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করেছেন।’
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমাইয়া সিকদার বলেন, ‘জুলাইয়ের স্মৃতি সংরক্ষণের আড়ালে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজনীতিকে স্বাভাবিক হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা করা ব্যক্তিদের মধ্যে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী অন্যতম।’
চবি গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সদস্য রিশাদ আমীন বর্ণের অভিযোগ, ছাত্রশিবির চাকসুর ব্যানার ব্যবহার করে নিজেদের রাজনৈতিক বক্তব্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। তাঁর মতে, জুলাই ফেস্টে সাঈদীর ছবি প্রদর্শন সেই প্রচেষ্টারই অংশ।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাকসুর সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আল-ফোরকানকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী চিত্রকলা ও গ্রাফিতি প্রদর্শনী এবং শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় জাদুঘর গ্যালারিতে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আল-ফোরকান। পরে চাকসু কেন্দ্রে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতারও উদ্বোধন করেন তিনি।
উপাচার্য বলেন, জুলাইয়ের ঘটনাগুলো জাতির জন্য স্মরণীয়। সেই সময় স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গণতন্ত্র, স্বাধীন মতপ্রকাশ ও নিরাপদ রাষ্ট্রের স্বপ্নে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁদের আত্মত্যাগের কারণেই আজ মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।