বোর্ডের প্রকাশিত শর্তাবলি অনুযায়ী, মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থী মাসে ৬০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী মাসে ৩৫০ টাকা করে পাবে। এ ছাড়া বইপত্র ও যন্ত্রপাতি কেনার জন্য মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বছরে এককালীন ৯০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা ৪৫০ টাকা পাবে।
বৃত্তির অর্থ পেতে শিক্ষার্থীকে অবশ্যই উচ্চ শ্রেণিতে পড়াশোনার জন্য অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে হবে।সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ বা প্রধান শিক্ষকের প্রত্যয়নপত্র জমা দিয়ে বিধি অনুযায়ী বৃত্তির অর্থ উত্তোলন করতে হবে।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীর সদাচরণ, বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি এবং সন্তোষজনক পাঠোন্নতির ভিত্তিতে বৃত্তি দেওয়া হবে। নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করলে বৃত্তির যোগ্যতা বহাল থাকবে না।
বাংলাদেশের ভেতরে সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ বৃত্তি কার্যকর হবে।অননুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পাওয়ার যোগ্য হবে না। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নকাল পাঠবিরতি হিসেবে গণ্য হবে বলেও শর্তাবলিতে উল্লেখ করা হয়েছে।বৃত্তিপ্রাপ্ত সব শিক্ষার্থী বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ পাবে। সরকারি অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাদের কাছ থেকে মাসিক বেতন নিতে পারবে না। কোনো প্রতিষ্ঠান বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর কাছে বেতন দাবি করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।