চলতি বছরের ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হয়। প্রথমে ১৪ উপজেলায় পাইলট কার্যক্রম চলে, পরে তিন ধাপে ৫৫ উপজেলায় পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। সরকার গঠনের মাত্র ২১ দিনের মধ্যে কর্মসূচিটি শুরু করা হয়।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ফেনীতে এক হাজার ৫৪২ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। আগামীকালের (আজ) ফেনী কর্মসূচিতে এ কারণেই খাল-নদী খনন ও পানি ব্যবস্থাপনা আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে। মুহুরী ও কহুয়া নদী ঘিরে প্রায় এক হাজার ৫৪২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গত জুনে একনেকে অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্পটির আওতায় পরশুরাম, ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া ও সোনাগাজী—এই চার উপজেলায় বাঁধসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, বর্ষার কারণে এপ্রিল থেকে আগস্ট-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নদী, খাল ও জলাশয় পুনঃখননের কাজ বন্ধ ছিল। বর্ষা শেষ হওয়ায় আবারও এ কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। আজ ফেনী থেকে আবার খাল পুনঃখননের কর্মসূচি শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন।
তিনি বলেন, চলতি বছর এরই মধ্যে ১১০টি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। গত ছয় মাসে ৩৭৭ কিলোমিটার পুনঃখননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি।
প্রধানমন্ত্রীর সফরে পরশুরামে ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ উদ্বোধন করা হবে। এক হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকার এ প্রকল্পের আওতায় বাঁধ পুনর্বাসন, নদীতীর সংরক্ষণ, নদী পুনঃখনন এবং সেচ অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।