অনেকেরই ধারণা, একবার লিভারের রোগ হলে তা সহজে সারে না। তবে চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো রোগ ধরা পড়লে এবং জীবনযাপনে নিয়ন্ত্রণ আনা গেলে এমন সমস্যাও কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। লিভার স্বাভাবিকভাবেই ফ্যাট তৈরি করে এবং রক্তের মাধ্যমে তা পেশিতে পাঠায়। কিন্তু শরীর ঠিক কতটা ফ্যাট ব্যবহার করছে আর কতটা জমিয়ে রাখছে; এই ভারসাম্য ঠিক না থাকলেই দেখা দেয় ফ্যাটি লিভার সমস্যার।
শুরুতেই চিকিৎসার পাশাপাশি নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন জরুরি। চিকিৎসকদের মতে, নিয়মিত তিন ধরনের পানীয় পান করলে ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে রাখা যেতে পারে। চলুন, জেনে নিই সেগুলি কী কী।
গ্রিন টি
গ্রিন টিতে রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, ইপিগ্যালোক্যাটেচিন গ্যালেট।যা লিভারের এনজাইম বা উৎসেচকের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে লিভারে সহজে ফ্যাট জমতে পারে না।
কফি
কফির ক্যাফেইন উপাদানটি লিভারে ফাইব্রোসিস এবং চর্বি জমা রোধে সাহায্য করে। তবে এটি হতে হবে অর্গানিক কফি।খেতে হবে চিনি ও দুধ ছাড়া। যারা একেবারে ব্ল্যাক কফি খেতে পারেন না, তারা চিনির পরিবর্তে স্বল্প পরিমাণ মধু ব্যবহার করতে পারেন।
বিটের রস
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ বিট লিভারের টক্সিন দূর করতে দারুণ কার্যকর। বিটের রস নিয়মিত খেলে লিভারে চর্বি জমার সম্ভাবনা কমে যায়। তবে পরিমাণ ও নিয়ম মেনে খাওয়া উচিত।এসব পানীয় উপকারী হলেও সঠিক পরিমাণে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে গ্রহণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। সঙ্গে থাকতে হবে সঠিক খাদ্যাভাস, নিয়মিত শরীরচর্চা ও পর্যাপ্ত ঘুম।
এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ..