বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম দাবি করেন, স্বৈরাচারের সময় দেশের রিজার্ভ ছিল ২০ বিলিয়ন ডলার। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সময়ে তা বেড়ে ২৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। বর্তমান সরকার সাত মাসে রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে। তার ভাষ্য, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করছেন। তবে দেশের চলমান সংকটের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।
জ্বালানিসংকট প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, তেল-গ্যাসের সংকটকে বড় করে দেখানোর জন্য আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দলের একটি অংশ যোগসাজশ করে পরিকল্পিতভাবে পাম্পের সামনে দীর্ঘ লাইনের দৃশ্য সংবাদমাধ্যমে প্রচার করিয়েছে। তার দাবি, তেলের দাম কিছুটা বাড়ার পর মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়। এ ঘটনাকে তিনি পরিকল্পিত চক্রান্ত বলে উল্লেখ করেন।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে শিক্ষকদের সামাজিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, শিক্ষকদের শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। সমাজের অনিয়ম, অসংগতি ও অপরিচ্ছন্নতার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরি করতে হবে। পরিচ্ছন্ন সমাজ গঠন, নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং শিক্ষার্থীদের মানবিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের নেতৃত্বে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।