পরিকল্পনা থেকে সরে আসার বিষয়ে ইনফান্তিনো বলেছেন, ‘‘এটা স্পষ্টত যে প্রকল্পটি সংস্থাটির মধ্যে ‘বিভাজন তৈরি করেছে’ যা আর এর মূল লক্ষ্যের ‘স্বার্থ রক্ষা করছে না’। এতে করে প্রস্তাবটি আর সামনে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে না।’’
পুরুষ ও নারী বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন টুর্নামেন্টে বেসরকারি বিনিয়োগের এই প্রস্তাবটি সমর্থনের বিনিময়ে ইনফান্তিনো ফিফার ২১১টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিটিকে ৪০ মিলিয়ন ডলার (৩০ মিলিয়ন পাউন্ড) দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
তাদের সুরেই পরে উত্ত-মধ্য আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনক্যাকাফ এবং এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন এএফসি ফিফার সিদ্ধান্ত প্রত্যাখান করে।ফিফার সদস্য দেশগুলোই শুধু নয়, ফিফায় কাজ করা অনেকে বিরোধীতা করেন। যেমন ফিফার চিফ অপারেটিং অফিসার কেভিন লামুর জানান, এই প্রকল্পের বিষয়ে গভর্নিং বডির প্রশাসনকেই ‘প্রতারিত’ করা হয়েছে।
কেভিনের বিপরীতে ফিফার এমন সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে সভাপতি ইনফান্তিনোর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা কার্লোস কর্ডেইরো তো পদত্যাগই করেছেন। সভাপতির বৈশ্বিক কৌশল ও শাসন বিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা বলেছেন, ‘‘এই প্রস্তাবটি ‘ফুটবলের জন্য একটি বাজে চুক্তি’ এবং ‘ফুটবলের ভবিষ্যৎকে বন্ধক রাখবে’।