তাদের প্রতিভা বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ ও পরিবেশ তৈরি করতে হবে। এ দায়িত্ব সরকারের। সরকার এমন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যাতে শিশুরা পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও শিল্প-সংস্কৃতিতে নিজেদের যোগ্য করে তুলতে পারে।’শিশুদের তৃতীয় একটি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি ছয়-সাতটি বিদেশি ভাষার মধ্য থেকে পছন্দমতো একটি শেখার সুযোগ তৈরির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পড়াশোনা, খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি এবং তৃতীয় ভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে পারলে বিশ্বের কোনো জাতিই বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মকে পিছিয়ে রাখতে পারবে না।তিনি বলেন, এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যে দেশকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরতে অন্য কোনো দেশের নাম নিতে হবে না। বরং বাংলাদেশই হবে সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী দেশের উদাহরণ। নতুন প্রজন্মকে সেই অবস্থানে দেশকে নিয়ে যেতে হবে। ভবিষ্যতে শিশু-কিশোরদের সঙ্গে স্কুল-কলেজ, খেলার মাঠ ও সংস্কৃতিচর্চার মঞ্চে আবার দেখা হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহফুজুল আরম খান। এ সময় স্থানীয় প্রশাসন এবং বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বাগেরহাট থেকে খুলনায় আসার পথে রূপসার কুদির বটতলা ও নগরীর ডাকবাংলা মোড়ে আয়োজিত পৃথক পথসভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর আড়াইটার দিকে কুদির বটতলায় পৌঁছে নির্ধারিত অভ্যর্থনার অপেক্ষা না করে গাড়ি থেকে নেমে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তিনি।
পথসভায় প্রধানমন্ত্রী সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের পক্ষ থেকে ভারত থেকে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র ও নাশকতার অপচেষ্টা চলছে অভিযোগ করে তা মোকাবেলায় ২০২৪ সালের মতো আরেকটি আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।