এবারের অধিবেশনটি ছিল বাংলাদেশের জন্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ, কেননা দীর্ঘদিন পর এবার বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকার জাতিসংঘে দেশের প্রতিনিধিত্ব করছে। তাই, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব ও আলোচনা, জলবায়ুতে ন্যায়বিচার ও অর্থায়নের দাবি, বাংলাদেশের পুনর্গঠনে থ্রি আর (3R) প্রস্তাব উপস্থাপনসহ ভবিষ্যৎ উন্নয়নের বিষয়ে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করা হয়। তবে, এসব বিষয় কয়টি গণমাধ্যমে বিস্তারিত ঠাঁই পেয়েছে?
এসব অর্জনকে ম্লান করতে একটি গোষ্ঠী সংঘবদ্ধভাবে পরিকল্পিত কিছু অপকর্ম ঘটিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা করেছে বলে দাবি করেন রুমন।
একটি ভঙ্গুর অবস্থায় দেশের হাল ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী।সরকারকে সহযোগিতা করা প্রয়োজন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সত্যিই একটি শস্য-শ্যামলা বাংলাদেশ গড়তে চান। আপনারা সরকারকে সহযোগিতা করুন।’