বন্ধ হয়ে থাকা পানি নিষ্কাশনের পথ পরিষ্কার করতে হবে এবং রেললাইন নিয়মিত পরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করতে হবে। যেসব ট্রেনের চাকায় ফাটল বা গুরুতর ত্রুটি পাওয়া যাবে, সেগুলো মেরামত না হওয়া পর্যন্ত চলাচল বন্ধ রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে যেখানে সমস্যা দেখা দিচ্ছে তা দ্রুত শনাক্ত করে সমাধান করতে হবে। ঠিকাদারের অসমাপ্ত কাজ দ্রুত শেষ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা পুরোপুরি সচল না হওয়া পর্যন্ত বিকল্প নিরাপত্তাব্যবস্থা চালু রাখতে হবে, যাতে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে যাত্রীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া যায়।
গত বছর ২৬ অক্টোবর রাজধানীর ফার্মগেটে মেট্রো রেলের বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে পথচারী আবুল কালামের মৃত্যু হয়। এর এক বছর আগেও একই ধরনের একটি দুর্ঘটনা ঘটে। এই দুই ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে পৃথক রিট আবেদন করা হয়।