রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে থাকা তেল শোধনাগার ও জ্বালানি স্থাপনা ইউক্রেনের ড্রোন হামলার অন্যতম লক্ষ্য হয়ে উঠেছে। এসব হামলার কারণে রাশিয়ার কিছু এলাকায় জ্বালানি সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও পেট্রল ও অন্যান্য জ্বালানি পেতে মানুষের ভোগান্তির খবরও পাওয়া গেছে।
তবে রুশ কর্তৃপক্ষ বলছে, হামলার কারণে শুরুতে যেসব জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছিল, তার বেশির ভাগই পরে সমাধান করা হয়েছে। নিঝনেকামস্কে সর্বশেষ হামলার পরও স্থানীয় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। হামলার ঘটনায় নিহত ও আহতদের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।