তবে এই প্রযুক্তির কাজ শুধু কার্ড দেখানোতেই সীমাবদ্ধ নয়। যন্ত্রটিতে দুটি বোতাম রয়েছে। একটি দিয়ে হলুদ, অন্যটি দিয়ে লাল কার্ড দেখানো যায়। পাশাপাশি, শাস্তির সিদ্ধান্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে নথিভুক্ত হয় উরুগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ‘কোমেট’ (COMET) ব্যবস্থায়।এই যন্ত্র দিয়ে গোল, পেনাল্টি, খেলোয়াড় পরিবর্তনসহ ম্যাচের বিভিন্ন ঘটনাও নথিভুক্ত করা সম্ভব। ফলে কমবে হাতে লিখে তথ্য টুকে রাখার ঝামেলা।সময় অপচয় ও ঝামেলা কমলেও পরীক্ষায় কিছু সীমাবদ্ধতা ধরা পড়েছে। দূর থেকে, বিশেষ করে তীব্র সূর্যের আলোয়, পর্দার রং স্পষ্ট দেখা কঠিন। তাই এখনই চিরচেনা কার্ডের জায়গা নিচ্ছে না ডিজিটাল ব্যবস্থা।
তবে সামনে রেফারির পকেটে ঠিকই কাগজের কার্ড নয়, থাকবে ছোট্ট ইলেকট্রনিক যন্ত্রই। সেই যন্ত্রে ভেসে উঠবে শাস্তি ভেদে কার্ডের ছবি।