শেহবাজ শরিফের মতে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। এরপর পরবর্তী সপ্তাহে কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে চুক্তি বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হবে।
তিনি বলেন, এই সমঝোতা সফল হলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা, পাল্টাপাল্টি হামলা এবং হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে সংকট আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছিল।
এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা দেখা দেয়।পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে সংঘাতের অবসান ঘটবে এবং কূটনৈতিক আলোচনার নতুন পথ উন্মুক্ত হবে।
তবে চুক্তির বিস্তারিত শর্তাবলি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পক্ষ থেকেও সম্ভাব্য স্বাক্ষরের বিষয়ে এখনো পূর্ণাঙ্গ বিবৃতি আসেনি।