লিওনেল মেসি মাঠে নামেন, গোল করেন, রেকর্ড গড়েন। কিন্তু সঙ্গে জড়িয়ে যায় বিতর্ক। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক করার পরেও মেসির সঙ্গী হয়েছে সম্ভাব্য লাল কার্ড বিতর্ক। এবার আলোচনায় অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের করা প্রথম গোলটি।
আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের পর অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড় গোল করে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডটি নিজের করে নিয়েছেন মেসি। আর্জেন্টাইন অধিনায়কের নামের পাশে শোভা পাচ্ছে ১৮টি গোল। ৩৯ বছরের এই ফুটবল জাদুকরের বাম পায়ের জাদুতে বুঁদ হয়ে আছে পুরো বিশ্ব। যেদিনই তিনি মাঠে নামেন সেদিনই রেকর্ড বইয়ের কিছু পাতা ওলটপালট করে আসেন।
এতকিছুর পরেও বিতর্ক মেসির পিছু ছাড়ছে না। বিতর্ক আর সমালোচনা যেন আর্জেন্টাইন অধিনায়কের ছায়াসঙ্গী। ‘জে’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচের ৩৮ ও ৯৫তম মিনিটে গোল করেন মেসি। এর মধ্যে প্রথম গোলটি আসে বাম প্রান্ত থেকে ফাকুন্দো মেদিনার বাড়ানো বলে। সেই গোল নিয়েই মূলত বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
গোলটি বিল্ডআপ করার সময় অস্ট্রিয়ার সাভের শ্লাগারকে ট্যাকল করেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার। বলের লড়াইয়ের বাইরে থাকা অবস্থায় শ্লাগার মাটিতে পড়ে গেলেও রেফারি খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। অস্ট্রিয়ার খেলোয়াড়দের প্রতিবাদও আমলে নেননি তিনি।
ম্যাচ শেষে রেফারির এ সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন অস্ট্রিয়া কোচ রালফ রাংনিক। তার দাবি, ঘটনাটি ভিএআরের নজর এড়ায়নি। তিনি বলেন, ‘আমার মতে, ওটা পরিষ্কার ফাউল ছিল। কিন্তু রেফারিকে ফাউল হয়েছে বলার মতো যথেষ্ট সাহস ভিএআরের ছিল না।’
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কিংবদন্তি গোলরক্ষক পিটার স্মাইকেলও গোলটি নিয়ে আপত্তি তুলেছেন। ফক্স স্পোর্টসে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, মেসির প্রথম গোলটি বাতিল হওয়া উচিত ছিল। ম্যাক আলিস্টার লাথি মেরে একজন খেলোয়াড়কে ফেলে দিয়েছিল। ওটা ফ্রি-কিক হওয়া উচিত ছিল।’
শুধু রেফারির সিদ্ধান্ত নয়। ভিএআরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্মাইকেল। তিনি বলেন, ‘এটি রেফারির স্পষ্ট ভুল ছিল। বিষয়টি নিয়ে আমি কিছুটা হতাশ।