শামা ওবায়েদ বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি, পানি, সীমান্তসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে, যেগুলোর সমাধান সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমেই করতে হবে। তবে শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে দেওয়া হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত ভারত সরকারকেই নিতে হবে।মানবাধিকার নিয়ে আওয়ামী লীগের বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের মুখে মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের কথা অত্যন্ত হাস্যকর।’
তার ভাষায়, ‘‘বাংলাদেশের মানুষ দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ এবং গত ১৭-১৮ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের পুনরাবৃত্তি কোনোভাবেই মেনে নেবে না।’’
ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেও দুই দেশের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘সরকার-সরকার সম্পর্ক বহুমাত্রিক। একটি ইস্যুর কারণে অন্য সহযোগিতা থেমে থাকতে পারে না।’
তিনি বলেন, ‘‘ভারতের সঙ্গে জ্বালানি, পানিবণ্টন, সীমান্তসহ বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের সহযোগিতা রয়েছে। এসব নিয়ে আলোচনা চলবে। তবে জুলাইয়ের শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতিকে আঘাত করে এমন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে ভারতকে আরও সংবেদনশীল হতে হবে।’’
ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বহুপক্ষীয় প্ল্যাটফর্মে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে আগ্রহী। তবে প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনে যোগ দেবেন কি না, তা তার সময়সূচি ও ব্যস্ততার ওপর নির্ভর করবে।’
ভারতকে পাঠানো বাংলাদেশের কূটনৈতিক বার্তার জবাব সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের চিঠি দিয়েছি। এখন ভারত কী জবাব দেয়, সেটির জন্য অপেক্ষা করুন।’