কিরগিজস্তানের অর্থনীতি ও বাণিজ্য উপমন্ত্রী মেদার তুমানভের সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার নিয়ে আলোচনা হয়। তুলা উৎপাদন, বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতে দুই দেশের পারস্পরিক পরিপূরক সক্ষমতা, ইউরেশিয়ার বাজারে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা এবং ওষুধশিল্পে অংশীদারত্বের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেন তারা।
কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের শ্রম, সামাজিক নিরাপত্তা ও অভিবাসনবিষয়ক প্রথম উপমন্ত্রী আরলেন আলিয়াসভের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ ও শ্রমিক চলাচল নিয়ে আলোচনা করেন পররাষ্ট্রসচিব।
বৈঠকে জানানো হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিরগিজস্তানে ব্যাপক উন্নয়নকাজ চলায় দেশটি বিদেশ থেকে আরো কর্মী নিয়োগ করতে চায়।নির্মাণ, বস্ত্র, ওষুধশিল্প, ডিজিটাল সেবা, কৃষি ও শিক্ষকতার মতো খাতে বিদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।এ ক্ষেত্রে দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে (জি-টু-জি) সহযোগিতা আরো গভীর করা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সইয়ের বিষয়েও আলোচনা হয়। সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন কিরগিজস্তানের শ্রমবিষয়ক উপমন্ত্রী।
ভবিষ্যতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কিরগিজস্তানের শিক্ষামন্ত্রী।এ ছাড়া অননুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের কিরগিজস্তান ছাড়তে হবে না বলেও তিনি জানান।