দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর ইফতারে সঠিক পানীয় নির্বাচন করা শরীরের শক্তি ফিরে পেতে অত্যন্ত জরুরি। সারাদিন তৃষ্ণার্ত থাকার পর আমরা অনেকেই ভুলবশত এমন কিছু পানীয় পান করি যা শরীরের উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করে। পুষ্টিবিদদের মতে, ইফতারে প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকর পানীয় হওয়া উচিত আমাদের প্রথম পছন্দ।
কেন কোমল পানীয় এড়িয়ে চলবেন?
বাজারের অতিরিক্ত চিনিযুক্ত শরবত বা কোমল পানীয় পান করলে সাময়িক সতেজতা মনে হলেও এটি দ্রুত ক্লান্তি নিয়ে আসে এবং পেট ফাঁপার মতো সমস্যা তৈরি করে।তাই শরীরের ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করতে প্রাকৃতিক উৎসই সবচেয়ে নিরাপদ।
ইফতারের জন্য আদর্শ কিছু পানীয়:
ডাবের পানি: শরীরকে রিহাইড্রেট করতে এর কোনো বিকল্প নেই। এটি পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের প্রাকৃতিক উৎস।খেজুর ও দুধ: ইফতারে এই প্রাচীন পদ্ধতিটি তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে সাহায্য করে এবং শরীরে ক্যালসিয়ামের জোগান দেয়।তাজা ফলের রস: তরমুজ, কমলা বা বেদানার রস ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে। তবে এতে আলাদা করে চিনি না মেশানোই ভালো।লেবু-মধু পানি: হজমপ্রক্রিয়া ঠিক রাখতে এবং শরীর থেকে টক্সিন বের করে দিতে এক গ্লাস লেবু পানি জাদুর মতো কাজ করে।পুষ্টিকর স্মুদি ও স্যুপ: দই-চিয়া সিড বা ফলের স্মুদি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে।আর ইফতারের শুরুতে কুসুম গরম স্যুপ পাকস্থলীকে পরবর্তী খাবারের জন্য প্রস্তুত করে।
বিশেষ সতর্কতা
ইফতারে অতিরিক্ত বরফ দেওয়া বা খুব ঠাণ্ডা পানি পান করা থেকে বিরত থাকা উচিত। এটি হজমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং পানিশূন্যতা রোধে স্বাস্থ্যকর পানীয় বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ..