বাংলাদেশের অর্থনীতি বহুমুখীকরণে অনেক পরিকল্পনা থাকলেও বাস্তবায়নে দুর্বলতা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সুযোগ কাজে লাগাতে কৌশলগত পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন—দুই ক্ষেত্রেই আরও কার্যকর হতে হবে।
বাংলাদেশের কৌশলগত গুরুত্ব শুধু বঙ্গোপসাগরে নয়, দেশের স্থল-ভৌগোলিক অবস্থানেও রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। পদ্মা ও যমুনা সেতুর মাধ্যমে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, পশ্চিম এশিয়া এবং শেষ পর্যন্ত ইউরোপের সঙ্গে স্থল যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
এশিয়ার ভবিষ্যতের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে ভারত ও চীনের মধ্যকার টানাপোড়েনের কথা উল্লেখ করেন রেহমান সোবহান। তার মতে, দুই দেশের সহযোগিতা বাড়লে এশিয়ার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা আরো বাড়বে। এ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশও ভূমিকা রাখতে পারে।
চীন ও ভারতের বাজার, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও বৈচিত্র্যময় করার সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির ভারসাম্য এশিয়ার দিকে সরে আসার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। তাই পরিবর্তনের ধরন বুঝে এশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের আরও গভীর অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ।