জানা গেছে, উপদেষ্টার ঘোষণা দেওয়া পাঁচ লাখ টাকার সহায়তা এরই মধ্যে দেওয়া হয়েছে। এখন চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এ ছাড়া ফাওজুল কবির খান আরো কিছু আর্থিক সহায়তা দেওয়া যায় কি না, সেই চেষ্টা করছেন। এ ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ব্যাংকে রেখে মাসে মাসে যাতে নিহত ব্যক্তির পরিবার পেতে পারে, সেই চিন্তা চলছে। এ ছাড়া একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ নিহত আবুল কালামের পরিবারকে পর্যাপ্ত ও অবিলম্বে দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছেন।
ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফারুক আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, নিহত আবুল কালামের পরিবারকে যতভাবে সহায়তা করা যায়, সেটা তারা করবেন। আবুল কালামের স্ত্রী আইরিন আক্তারকে চাকরি দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হচ্ছে। মহামান্য আদালতের নির্দেশনাও তারা মেনে চলবেন। তিনি আরো বলেন, কোনো মানুষের প্রাণের বিনিময় হতে পারে না। তারা যা করছেন, সেটা সহায়তা। এ ছাড়া আর যাতে এ ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে, সেটা নিশ্চিত করাই তাদের লক্ষ্য।ডিএমটিসিএলের কর্মকর্তারা জানান, আনুষ্ঠানিকতার জন্য আইরিন আক্তারের কাছ থেকে একটি আবেদনপত্র নেওয়া হবে। সেটির ওপর ভিত্তি করে শিগগিরই একটি নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। ডিএমটিসিএল শতভাগ রাষ্ট্রায়ত্ত কম্পানি। এটি ১২ সদস্যের একটি বোর্ডের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই বোর্ডের চেয়ারম্যান পদাধিকারবলে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব। আইরিনের নিয়োগের বিষয়টি পরে বোর্ডেও অনুমোদন করিয়ে নেওয়া হবে।
ডিএমটিসিএলের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, রবিবার আইরিন আক্তার ডিএমটিসিএলের কার্যালয়ে আসার পর তাকে দুটি বিষয় জানানো হয়। এখন তার যোগ্যতা অনুযায়ী ১৬তম গ্রেডে চাকরি দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে স্নাতক পাসের সনদ জমা দিলে উচ্চতর পদে চাকরি দেওয়া হবে। তখন মাসিক বেতন ৮০ হাজার টাকার বেশি হবে বলে ডিএমটিসিএলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
আইরিন আক্তার জানিয়েছেন, তিনি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ মহিলা কলেজে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পড়াশোনা করেন। স্নাতক পরীক্ষা তিনি সম্পন্ন করতে পারেননি।