চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী খামেনি। পরে ইরান সরকার জমহুরি সড়কের সেই ঘটনাস্থলে শোকাহত সাধারণ মানুষের জন্য ‘রাভাগ কেশভারদৌস্ত’ নামে একটি অস্থায়ী উপাসনালয় তৈরি করে। ইসলামে মরদেহকে মৃত্যুর স্থানে নিয়ে যাওয়ার নির্দিষ্ট কোনো প্রথা না থাকলেও,
ইরানের এই পদক্ষেপটিকে শিয়া সংস্কৃতির ‘শাহাদাত’ ও স্মরণের গভীর ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিশ্বজুড়ে শিয়া মুসলমানদের কাছে খামেনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতাই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন দ্বাদশ শিয়া ইসলামের সর্বোচ্চ ধর্মীয় পদমর্যাদা ‘মারজা-ই তাকলিদ’।