সাধারণত হৃদস্বাস্থ্য যাচাই করতে এইচডিএল, এলডিএল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা দেখা হয়।কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, এগুলোই পুরো চিত্র তুলে ধরে না। লিপোপ্রোটিন এমন এক ধরনের কোলেস্টেরল, যা নিঃশব্দে রক্তনালিতে ক্ষতি করতে পারে এবং অল্প বয়সেই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।এই উপাদানটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—এটি সম্পূর্ণ জিনগত। অর্থাৎ, জন্ম থেকেই শরীরে এর উপস্থিতি নির্ধারিত হয় এবং জীবনভর প্রায় অপরিবর্তিত থাকে।খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম বা ওজন নিয়ন্ত্রণের মতো প্রচলিত পদ্ধতিতে এর মাত্রা তেমন কমানো যায় না। ফলে অনেক স্বাস্থ্যসচেতন মানুষও অজান্তে ঝুঁকির মধ্যে থেকে যান।
যদিও এই উপাদানের মাত্রা সরাসরি কমানো কঠিন, তবে এর ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।এজন্য এলডিএল কোলেস্টেরল কম রাখা, নিয়মিত ব্যায়াম, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং ধূমপান বা অ্যালকোহল এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। প্রয়োজনে ওষুধও নিতে হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, হার্ট অ্যাটাক সবসময় হঠাৎ ঘটে না—অনেক সময় শরীর আগে থেকেই সতর্ক সংকেত দেয়। লিপোপ্রোটিন ঠিক তেমনই এক নীরব ঝুঁকি, যা একটি সাধারণ পরীক্ষার মাধ্যমে আগেভাগেই ধরা সম্ভব। আর সচেতনতা থাকলেই এই অদৃশ্য ঝুঁকি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।