চিনি আমাদের খাবারের স্বাদ বাড়ালেও শরীরের জন্য এটি খুব উপকারী নয়। উচ্চ গ্লাইসেমিক ইনডেক্স থাকার কারণে অতিরিক্ত চিনি শরীরের বিপাকক্রিয়া ধীর করে দেয়। ফলে হৃদরোগ, কিডনি ও লিভারের নানা সমস্যা তৈরি হতে পারে। এমনকি রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও বাড়তে পারে।
তাই স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ধীরে ধীরে চিনির অভ্যাস কমানো জরুরি। তবে একেবারে হঠাৎ করে চিনি ছাড়ার বদলে কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করলে বিষয়টি অনেক সহজ হয়ে যায়। চলুন, জেনে নিই।
চা-কফির অভ্যাসে পরিবর্তন আনুন
হঠাৎ করে চিনি বাদ না দিয়ে ধীরে ধীরে কমানোর চেষ্টা করুন।যেমন, যদি আগে দুই চামচ চিনি খেতেন, তাহলে প্রথম সপ্তাহে দেড় চামচ নিন। পরের সপ্তাহে এক চামচ করুন। এভাবে ধাপে ধাপে কমালে স্বাদের সঙ্গে জিভও সহজে মানিয়ে নেবে।
রান্নায় চিনির ব্যবহার কমান
সব ধরনের রান্নায় চিনির প্রয়োজন নেই।ডাল বা তরকারিতে স্বাদ বাড়াতে চিনি দেওয়ার বদলে স্বাভাবিক স্বাদের খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। রান্নায় চিনির পরিমাণও প্রতি সপ্তাহে একটু একটু করে কমিয়ে ফেলুন।
পানীয় বেছে নিন সচেতনভাবে
কোমল পানীয় বা মিষ্টি মকটেল এড়িয়ে চলাই ভালো। এর পরিবর্তে পানিতে ফলের টুকরো মিশিয়ে ‘ডিটক্স ওয়াটার’ পান করতে পারেন। বাজারের প্যাকেটজাত জুসের বদলে ঘরে তৈরি তাজা ফলের রস পান করুন।
স্বাস্থ্যকর উপায়ে মিষ্টি খাবার তৈরি করুন
কেক, পেস্ট্রি বা পুডিং খেতে ইচ্ছে করলে ঘরেই বানানোর চেষ্টা করুন। এতে চিনির বদলে খেজুর, কলা বা অন্য প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করলে স্বাভাবিক মিষ্টতা পাওয়া যায় এবং অতিরিক্ত চিনির ক্ষতিও এড়ানো সম্ভব।
পণ্যের লেবেল ভালো করে পড়ুন
বাজার থেকে কোনো খাবার কেনার আগে এর উপাদানের তালিকা দেখে নিন। অনেক সময় চিনি সরাসরি ‘চিনি’ নামে লেখা থাকে না; বরং সুক্রোজ, ফ্রুক্টোজ ইত্যাদি নামে উল্লেখ থাকে। এসব উপাদান কম আছে এমন খাবারই বেছে নেওয়ার চেষ্টা করুন।
এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ..