সমস্যা হলো, বারবার অতিরিক্ত চিনি খাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।এতে ওজন বাড়া, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এমনকি মানসিক সমস্যার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তবে চিনির আকাঙ্ক্ষা কমানো একেবারেই অসম্ভব নয়। কিছু সহজ কিন্তু কার্যকর অভ্যাস গড়ে তুললে আপনি মিষ্টির ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমাতে পারেন। চলুন, জেনে নিই।
পর্যাপ্ত ঘুমান
ঘুম কম হলে ক্ষুধা ও মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা বেড়ে যায়। প্রতিদিন অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন
চাপ বাড়লে শরীর মিষ্টি খাবারকে স্বস্তি হিসেবে খোঁজে। স্ট্রেসে কর্টিসল ও ঘ্রেলিন হরমোন বাড়ে। এতে মিষ্টি ও কার্বোহাইড্রেটের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যায়। হাঁটা, ব্যায়াম, গান শোনা বা পছন্দের শখে সময় দিন।
খাবারের ব্যাপারে নমনীয় হোন
কোনো খাবার একেবারে নিষিদ্ধ করলে সেটার প্রতিই আকাঙ্ক্ষা বেড়ে যায়। মাঝে মাঝে প্রিয় মিষ্টি খেলে অপরাধবোধ করবেন না। মনে রাখা জরুরি যে, ভারসাম্যই মূল চাবিকাঠি।
অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস ধীরে ধীরে বদলান
একদিনে সব বদলানো সম্ভব নয়—ছোট পদক্ষেপ নিন।
রাতের খাবারের পর মিষ্টির বদলে ফল খান। সোডার বদলে লেবু পানি পান করুন। নতুন অভ্যাস তৈরি হতে সময় লাগে তাই ধৈর্য ধরুন।
চিনিযুক্ত খাবারের কয়েকটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প
ক্যান্ডি বার → খেজুর + বাদাম/ মাখন + ডার্ক চকলেট
মিল্কশেক → কম চিনিযুক্ত প্রোটিন শেক
অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার ঝুঁকি
স্থূলতা
হৃদরোগ
টাইপ ২ ডায়াবেটিস
ফ্যাটি লিভার
উদ্বেগ ও বিষণ্নতা
দাঁতের ক্ষয় ও মাড়ির রোগ
কতটা চিনি নিরাপদ?
আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অনুযায়ী:
নারীদের জন্য : দিনে সর্বোচ্চ ৬ চা চামচ
পুরুষদের জন্য: দিনে সর্বোচ্চ ৯ চা চামচ। বিশেষজ্ঞদের মতে, যত কম চিনি খাবেন ততই ভালো।