এক্স-এ (টুইটার) তারা লিখেছেন, ‘আমরা দেশের যুবসমাজের পাশে আছি। কোনো ভয় ছাড়াই তাদের কণ্ঠস্বর জোরালো ও স্পষ্টভাবে শোনার সুযোগ পাওয়া উচিত। তারা আমাদের গণতন্ত্রের স্পন্দন এবং দেশের ভবিষ্যৎ রূপকার। আসুন আমরা তাদের কথা শুনি, সমর্থন করি এবং তাদের ক্ষমতায়ন করি। আমাদের তরুণদের শক্তি, সাহস ও স্বপ্নই সেই ভারত গড়ে তুলবে, যা আমরা দেখতে চাই।’
অভিনেত্রী হুমা কুরেশি বলেন, আন্দোলনের এই দৃশ্যগুলো তার মনে দীর্ঘদিন থেকে যাবে। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর এমন নিষ্ঠুর বলপ্রয়োগ এবং লাঠিচার্জ দেখে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত বলে লিখেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
চিত্রনাট্যকার সুতপা সিকদার লিখেছেন, আন্দোলনকারীদের অনেকেই শিক্ষার্থী, যারা পকেটে মাত্র ২০ টাকা এবং বুকে অনেক আশা নিয়ে জবাবদিহিতার খোঁজে এসেছিলেন। তিনি আরো যোগ করেন, ‘তারা কেউ ধনী প্রভাবশালী বাবার সন্তান নন, তাই তাদের বাঁচাতে কেউ এগিয়ে আসেনি।’
তিনি বলেন, ‘তারা তাদের অবস্থানে অনড় ছিলেন, যেমনটা হয়তো তারা সারাজীবন লড়াই করেছেন, বাস, ট্রেন, ভর্তি পরীক্ষা এবং প্রশ্ন ফাঁসের জন্য অপেক্ষা করার মধ্য দিয়ে।’
অভিনেত্রী ও নির্মাতা নন্দিতা দাস বলেন, ‘যারা বিশ্বাস করেন মানুষের জমায়েত হওয়া, কথা বলা, শোনা এবং শুনানির সুযোগ পাওয়ার মাধ্যমে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়; তিনি তাদের পাশে আছেন। গঠনমূলক ভিন্নমতই গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখে।’
নন্দিতা দাস আরো লেখেন, ‘দিল্লিতে যারা শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের বিশ্বাসের ভারতের জন্য লড়াই করছেন, আমি মনে-প্রাণে তাদের সঙ্গে আছি।ইনস্টাগ্রামে অভিনেত্রী ভূমি পেদনেকর বলেন, সহিংসতা কখনো সমাধান হতে পারে না। তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের প্রতি নজর দেওয়ার আহ্বান জানান।
সোনি রাজদান, জিনাত আমান, অভয় দেওল, নাসিরুদ্দিন শাহ, রত্না পাঠক শাহ, ওমি বৈদ্য এবং সোনাক্ষী সিনহাসহ আরো অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের ক্ষোভের কথা লিখেছেন। তরুণদের দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি উল্লেখ করে সোনাক্ষী সিনহা লিখেছেন, ‘নানা কষ্ট ও চ্যালেঞ্জের মুখেও বিক্ষোভকারীরা তাদের বিশ্বাসে অবিচল আছেন।’