হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের সঙ্গে পশ্চিমাদের টানাপোড়েন এখন বৈশ্বিক কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এই পথ দিয়ে পরিবহন হয়। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও হরমুজের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনায় অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় গত মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া আলোচনা ভেস্তে যায়।
চীনও এই সংকটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বেইজিং সফর শেষে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের ট্রাম্প দাবি করেন, ‘হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে।’
একই সঙ্গে তিনি বলেন, মার্কিন নৌ অবরোধের কারণে গত আড়াই সপ্তাহে ইরানের প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি ডলার ক্ষতি হয়েছে। এদিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরানের ১৪ দফা শান্তি প্রস্তাব মেনে নেওয়া ছাড়া অন্য কোনো পথ কার্যকর হবে না।
ইরান ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের জন্য নতুন ‘পেশাদার ব্যবস্থাপনা কাঠামো’ চালুর ঘোষণা দিয়েছে। ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আজিজি জানিয়েছেন, ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’–এর সঙ্গে যুক্ত অপারেটরদের জন্য এই রুট বন্ধই থাকবে। কেবল ইরানের সঙ্গে সহযোগিতাকারী দেশ ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলো বিশেষ সুবিধা পাবে এবং নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হবে।