ওইদিন কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় তিনি টিউশনি করতে গিয়েছিলেন। বাসায় না ফেরায় খোঁজাখুজির পর ওই রাতেই সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের কাছে একটি ঝোপ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন ২১ মার্চ তনুর বাবা ইয়ার হোসেন (কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের তৎকালীন অফিস সহকারী) বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।প্রথম ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে ধর্ষণ বা হত্যার স্পষ্ট আলামত না পাওয়ার কথা বলা হলে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে আদালতের নির্দেশে লাশ তুলে দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত করা হয়। পরবর্তীতে সিআইডির ফরেনসিক পরীক্ষায় তনুর পোশাকে তিনজনের ডিএনএ প্রোফাইল পাওয়া যায়, যা তনুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার প্রমাণ দেয়।
তনু হত্যাকাণ্ডের সময় হাফিজুর রহমান কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন। তিনি সেনাবাহিনীর সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার। ২০২৩ সালে তিনি সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যান। গত ২১ এপ্রিল ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২২ এপ্রিল কুমিল্লা আদালতে হাজির করার আগে ওই দিন সকালে ঢাকায় সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে হাফিজুর রহমানের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে আদালতের আদেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।