কার্বোহাইড্রেট একেবারে বাদ দিলে শরীর কিটোসিস নামের এক বিশেষ মেটাবলিক অবস্থায় যায়, যেখানে শরীর শক্তির জন্য কার্বোহাইড্রেট নয়, ফ্যাট পোড়াতে শুরু করে। এভাবে দ্রুত ওজন কমলেও কিছু সমস্যার ঝুঁকি থাকে। তাই পুষ্টিবিদের পরামর্শ ছাড়া কিটো ডায়েট করা উচিত নয়। একটানা কিটো ডায়েট করলে খিদে কমে যাওয়া, অনিদ্রা, মাথা ঘোরা, চুল পড়া, ক্লান্তি এই সব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।পাশাপাশি ফ্যাটি লিভার, রক্তে শর্করা খুব কমে যাওয়া, প্যানক্রিয়াসের উপর চাপ, এমনকি মহিলাদের ক্ষেত্রে ঋতুস্রাব অনিয়মিত হওয়ার মতো জটিলতাও দেখা দিতে পারে।মূলত মৃগী রোগীদের চিকিৎসার জন্য কিটো ডায়েট তৈরি হয়েছিল। পরে দেখা যায়, এটি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। সাধারণত ৪ দিনের মধ্যেই শরীরে কিটোসিস শুরু হয়, এবং প্রথম সপ্তাহ থেকে ওজন কমতে থাকে।টানা ২-৩ মাস কিটো ডায়েট করলে বড় পরিবর্তন দেখা যায়। লো-কার্ব কিটো ডায়েট করলে সময় আরো বেশি প্রায় ৩-৬ মাস।তবে কিটো ডায়েট বন্ধ করার পরই ওজন আবার বাড়তে পারে। তাই কিটোর পরে ব্যালান্সড ডায়েট অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।